বাংলাদেশ ১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৫২ Time View
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা এবং ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সমন্বিত উদ্যোগে, লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশিই মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে গিয়ে অনেকেই অপহরণ, নির্যাতন ও নানা ধরনের মানবিক সংকটের শিকার হন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রতিনিধিরা। এ সময় ভবিষ্যতে যেন কেউ মানবপাচারকারীদের ফাঁদে পা না দেন, সে বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা সমাজের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যাতায়াত ব্যয়, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
Tag :
About Author Information

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

Update Time : ০১:৪১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা এবং ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সমন্বিত উদ্যোগে, লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশিই মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে গিয়ে অনেকেই অপহরণ, নির্যাতন ও নানা ধরনের মানবিক সংকটের শিকার হন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রতিনিধিরা। এ সময় ভবিষ্যতে যেন কেউ মানবপাচারকারীদের ফাঁদে পা না দেন, সে বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা সমাজের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যাতায়াত ব্যয়, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।