বাংলাদেশ ০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলায় নিহত ২০ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় পারমানবিক অস্ত্র প্রশ্নে নমনীয় ইরান বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে ‘শক্তির আধিপত্য’ বাড়ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব শক্তিশালী তুষারঝড়ে নিউইয়র্কে নগরজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুলিশের কাজে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ভারতীয়দের জন্য পুনরায় পর্যটক ভিসা চালু করেছে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার : মাহদী আমিন মুকসুদপুরে প্রায় ১৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল চরপ্রসন্নদী সমাজকল্যাণ সংস্থা 

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯২ Time View

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে । প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে অন্তত ৩২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

গত শনিবার পশ্চিম জাভার পাহাড়ি গ্রাম পাসিরলাঙ্গুরে টানা ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। কাদামাটির স্রোতে গ্রামটির বহু ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয় ও বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৩৪ জনের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্তকৃত লাশগুলো দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিখোঁজের সংখ্যা ৩২ জন নির্ধারণ করা হলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

জাভা দ্বীপের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধার কাজ চলছে। উদ্ধার কর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় উদ্ধার কর্মীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে ।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে ৫০টির বেশি ঘরবাড়ি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অন্তত ৬৫০ জন মানুষ।

পশ্চিম জাভার গভর্নর দেদি মুলিয়াদি বলেন, পাসিরলাঙ্গুর আশপাশে বিস্তৃত সবজি চাষের প্ল্যানটেশনগুলোর কারণেই ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়েছে।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গত বছরের শেষ দিকে, সুমাত্রা দ্বীপে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পেছনেও বন উজাড় বড় ভূমিকা রেখেছে।

প্রাকৃতিক ওই দুর্যোগে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

বনভূমি বৃষ্টির পানি শোষণ করে ও গাছের শিকড় ভূমি স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। বন না থাকলে ভূমিধসের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।

বর্ষাকালে ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ দ্বীপপুঞ্জজুড়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রায়ই ঘটে।

দেশটিতে সাধারণত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষাকাল স্থায়ী হয়।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলায় নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

Update Time : ০৪:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে । প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে অন্তত ৩২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

গত শনিবার পশ্চিম জাভার পাহাড়ি গ্রাম পাসিরলাঙ্গুরে টানা ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। কাদামাটির স্রোতে গ্রামটির বহু ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয় ও বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৩৪ জনের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। শনাক্তকৃত লাশগুলো দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নিখোঁজের সংখ্যা ৩২ জন নির্ধারণ করা হলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

জাভা দ্বীপের পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধার কাজ চলছে। উদ্ধার কর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় উদ্ধার কর্মীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে ।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে ৫০টির বেশি ঘরবাড়ি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অন্তত ৬৫০ জন মানুষ।

পশ্চিম জাভার গভর্নর দেদি মুলিয়াদি বলেন, পাসিরলাঙ্গুর আশপাশে বিস্তৃত সবজি চাষের প্ল্যানটেশনগুলোর কারণেই ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়েছে।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গত বছরের শেষ দিকে, সুমাত্রা দ্বীপে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পেছনেও বন উজাড় বড় ভূমিকা রেখেছে।

প্রাকৃতিক ওই দুর্যোগে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষের মৃত্যু হয় এবং ২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

বনভূমি বৃষ্টির পানি শোষণ করে ও গাছের শিকড় ভূমি স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। বন না থাকলে ভূমিধসের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।

বর্ষাকালে ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ দ্বীপপুঞ্জজুড়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রায়ই ঘটে।

দেশটিতে সাধারণত অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষাকাল স্থায়ী হয়।